
📜 কখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়: ঐতিহাসিক ও আইনি বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে দুটি তারিখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—২৬ মার্চ ১৯৭১ এবং ১০ এপ্রিল ১৯৭১। এর মধ্যে ১০ এপ্রিল ১৯৭১ হলো সেই দিন, যখন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং এর মাধ্যমে একটি বৈধ সরকারের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। সংক্ষেপে উত্তর হলো: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের পক্ষ থেকে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ আনুষ্ঠানিকভাবে জারি ও অনুমোদন করা হয়, যা ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হয়। এই নিবন্ধে আমরা সেই ঐতিহাসিক দিনের পটভূমি, আইনি গুরুত্ব, রাজনৈতিক তাৎপর্য এবং সংশ্লিষ্ট সাধারণ জিজ্ঞাসাগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করব।
🏛️ ঐতিহাসিক পটভূমি: ২৬ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত
⚔️ ২৫ মার্চের কালরাত ও ২৬ মার্চের ঘোষণা
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পূর্ব পাকিস্তানে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অতর্কিত হামলা ও গণহত্যা শুরু করে। গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর সেই ঘোষণা তৎকালীন ইপিআর-এর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ২৬ মার্চ এম এ হান্নান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। তবে এই ঘোষণাটি ছিল মূলত রাজনৈতিক; একটি পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামো ও সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তা তখনও বিদ্যমান ছিল।
🗳️ ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ম্যান্ডেট
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল, কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক জান্তা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায়। এই নির্বাচনের রায়কে ভিত্তি করেই ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
📅 ১০ এপ্রিল ১৯৭১: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আনুষ্ঠানিক জারি
🏛️ মুজিবনগর সরকার গঠন ও ঘোষণাপত্র প্রণয়ন
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার মুক্তাঞ্চলে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা এক বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হন। এই অধিবেশনে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রণীত, অনুমোদিত ও জারি করা হয়। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।
✍️ ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রণয়ন
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন অধ্যাপক রেহমান সোবহান এবং আরও কয়েকজন। এছাড়া তাজউদ্দীন আহমদ একটি সংক্ষিপ্ত খসড়া তৈরি করেছিলেন বলেও জানা যায়। এই ঘোষণাপত্রটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
📜 ঘোষণাপত্র পাঠ ও অনুমোদন
১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী। পরে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এই ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে পঠিত ও অনুমোদিত হয়।
⚖️ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আইনি তাৎপর্য
📖 প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান এবং স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রক্রিয়ায় একটি আইনি দলিল হিসেবে স্বীকৃত। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমেই বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়।
⏳ কার্যকরতার তারিখ: ২৬ মার্চ
যদিও ঘোষণাপত্র জারি করা হয় ১০ এপ্রিল, তবে এটি ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে গণ্য করা হয়। অর্থাৎ, আইনি দিক থেকে ২৬ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়টুকুও এই ঘোষণাপত্রের অধীনে বৈধতা পায়।
🏛️ রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা ও ক্ষমতা কাঠামো
এই ঘোষণাপত্র বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করে এবং রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়কের মর্যাদা প্রদান করে। প্রশাসনিক, আইনগত ও বিচার বিভাগীয় সকল ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয়।
📜 সংবিধানে অন্তর্ভুক্তি
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিল এবং ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ঘোষণাপত্রটি সম্পূর্ণ আকারে সংবিধানে সংযুক্ত করা হয়েছে।
🔄 ২৬ মার্চ বনাম ১০ এপ্রিল: পার্থক্য কী?
🗣️ ২৬ মার্চ: রাজনৈতিক ঘোষণা
২৬ মার্চের ঘোষণাটি ছিল বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে একটি রাজনৈতিক ঘোষণা, যা জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিল। এটি কোনো সরকার গঠন বা আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেনি।
📜 ১০ এপ্রিল: আইনি ও সাংবিধানিক ঘোষণাপত্র
১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্রটি ছিল একটি আইনি দলিল, যা একটি বৈধ সরকার গঠন করে এবং মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার আইনি ভিত্তি প্রদান করে। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভের প্রক্রিয়া শুরু করে।
📌 গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য
| বিষয় | ২৬ মার্চ ১৯৭১ | ১০ এপ্রিল ১৯৭১ |
|---|---|---|
| প্রকৃতি | রাজনৈতিক ঘোষণা | আইনি ও সাংবিধানিক ঘোষণাপত্র |
| ঘোষক | বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান | মুজিবনগর সরকার (গণপরিষদ) |
| উদ্দেশ্য | জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করা | বৈধ সরকার গঠন ও আইনি কাঠামো প্রদান |
| স্থান | ঢাকা | মেহেরপুরের মুক্তাঞ্চল |
| ফলাফল | মুক্তিযুদ্ধের সূচনা | মুজিবনগর সরকার গঠন |
❓ Top 25 Most Searched Questions & Answers (স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ)
-
প্রশ্ন: বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে ঘোষিত হয়?
উত্তর: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে কবে জারি করা হয়?
উত্তর: ১০ এপ্রিল ১৯৭১। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কে পাঠ করেন?
উত্তর: অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী (১০ এপ্রিল) এবং পরে ১৭ এপ্রিলের শপথ অনুষ্ঠানেও পঠিত হয়। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে থেকে কার্যকর বলে গণ্য হয়?
উত্তর: ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রণয়ন করেন কে?
উত্তর: অধ্যাপক রেহমান সোবহান ও আরও কয়েকজনের সহায়তায়; এছাড়া তাজউদ্দীন আহমদ একটি খসড়া তৈরি করেছিলেন। -
প্রশ্ন: ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কী ঘটেছিল?
উত্তর: মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর: তাজউদ্দীন আহমদ। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের উপ-রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উত্তর: সৈয়দ নজরুল ইসলাম। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় কবে?
উত্তর: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আইনি গুরুত্ব কী?
উত্তর: এটি বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের আইনি ভিত্তি。 -
প্রশ্ন: ২৬ মার্চের ঘোষণা ও ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্রের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: ২৬ মার্চের ঘোষণা রাজনৈতিক; ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্র আইনি ও সাংবিধানিক, যা সরকার গঠন করে। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কোন তারিখ থেকে কার্যকর?
উত্তর: ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় কারা ছিলেন?
উত্তর: তাজউদ্দীন আহমদ (প্রধানমন্ত্রী), এম মনসুর আলী (অর্থ), খন্দকার মোশতাক আহমেদ (পররাষ্ট্র), এ এইচ এম কামারুজ্জামান (স্বরাষ্ট্র)। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে কী বলা হয়েছিল?
উত্তর: বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্ররূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করেন এবং বঙ্গবন্ধুর ২৬ মার্চের ঘোষণাকে অনুমোদন করেন। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কে অনুমোদন করেন?
উত্তর: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত গণপরিষদ। -
প্রশ্ন: ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কোন সরকার গঠিত হয়?
উত্তর: মুজিবনগর সরকার (বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার)। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা (পরে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়)। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ইংরেজি নাম কী?
উত্তর: Proclamation of Independence। -
প্রশ্ন: ১০ এপ্রিল ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধুকে কী পদে অধিষ্ঠিত করা হয়?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া কে তৈরি করেন?
উত্তর: অধ্যাপক রেহমান সোবহান এবং আরও কয়েকজন; তাজউদ্দীন আহমদের একটি খসড়াও ছিল। -
প্রশ্ন: ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কি স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়?
উত্তর: না, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস; ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস হিসেবে পালিত হয়। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূল পাঠ কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ও ষষ্ঠ তফসিলে এবং ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র’ তৃতীয় খণ্ডে। -
প্রশ্ন: ১০ এপ্রিল ১৯৭১-এর ঘটনাকে কেন ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বলা হয়?
উত্তর: কারণ এই দিনেই একটি বৈধ সরকার গঠিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ আইনি ভিত্তি পায়, যা আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে সহায়ক হয়। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা।
✅ Key Takeaways (মূল শিক্ষণীয় বিষয়)
-
📅 বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১।
-
📜 এই দিনে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
-
⚖️ ঘোষণাপত্রটি ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হয়।
-
🏛️ বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
-
📖 ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে স্বীকৃত।
-
🗣️ ২৬ মার্চের ঘোষণা ছিল রাজনৈতিক; ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্র ছিল আইনি ও সাংবিধানিক।
-
✍️ ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী।
-
📜 ঘোষণাপত্রটি পরবর্তীতে সংবিধানের চতুর্থ ও ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হয়।
🏁 Conclusions (উপসংহার)
“বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কখন ঘোষিত হয়” —এই প্রশ্নের উত্তর কেবল একটি তারিখ নয়; এটি একটি জাতির জন্মের আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট—এই দিনেই একটি বৈধ সরকার গঠিত হয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে কেবল একটি বিদ্রোহ নয়, বরং একটি বৈধ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে। ২৬ মার্চের রাজনৈতিক ঘোষণা এবং ১০ এপ্রিলের আইনি ঘোষণাপত্র—এই দুইয়ের সমন্বয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করে। ইতিহাস的这些 ঘটনা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা কেবল একটি ঘোষণার বিষয় নয়; এর জন্য প্রয়োজন আইনি বৈধতা, রাজনৈতিক সংগঠন এবং জাতীয় ঐক্যের দৃঢ় ভিত্তি।
📚 References (তথ্যসূত্র)
-
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মূর্তষণা – dfp.gov.bd
-
স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী – pressinform.portal.gov.bd
-
Bangladesh: A Country Study – pressinform.portal.gov.bd
-
সেই উদ্দেশে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল – dfp.gov.bd
-
আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর দর্শন – teachers.gov.bd
-
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা – dfp.gov.bd
-
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণা – BBC News বাংলা
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এক অনন্য দলিল – ittefaq.com.bd
-
১০ এপ্রিল ১৯৭১ঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র – albd.org
-
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা – bssnews.net
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস – teachers.gov.bd
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের গুরুত্ব – jugantor.com
-
আগামীকাল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস – bssnews.net
-
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি – jugantor.com
-
যে প্রশ্নগুলো বারবার চাকুরি পরীক্ষায় রিপিট হয় – teachers.gov.bd
-
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয় – myexaminer.net
-
স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয় কোথায় – myexaminer.net
-
10th BCS Bangladesh-affairs MCQ – examdao.com
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে কবে জারি – myexaminer.net
-
এসএসসি প্রস্তুতি – kalerkantho.com
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রণয়ন করেন – sattacademy.com
-
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় দেশকে ভাগ করা হয় ১১টি সেক্টরে – prothomalo.com
-
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে কিছু সাধারণ জ্ঞান – teachers.gov.bd
-
মুক্তিযুদ্ধ – বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – teachers.gov.bd
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতা – বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – prothomalo.com
-
‘বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালন করা হয় ১৪ ডিসেম্বর – prothomalo.com
-
১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার – archive.org
-
১০ এপ্রিল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি – pressinform.portal.gov.bd
-
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক প্রসূতি – archive.org
-
ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস – teachers.gov.bd
-
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ – kalbela.com
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন – pressinform.portal.gov.bd
-
ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা – teachers.gov.bd
-
জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশক-পরিচালক কিছুই ছিলেন না – banglatribune.com
-
আ’লীগ নেতাদের অনুরোধে মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন – samakal.com
-
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর দিবস’ উপলক্ষে বাণী – pressinform.portal.gov.bd
-
ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল আজ – kalbela.com
-
মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস আজ – samakal.com
-
ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস আজ – kalerkantho.com
-
আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস – samakal.com
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র – ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে – teachers.gov.bd
-
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান – teachers.gov.bd
-
তথ্যবিবরণী – pressinform.portal.gov.bd
-
সংবিধানের চোখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা – lawyersclubbangladesh.com
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বিশ্বে অনন্য – lawyersclubbangladesh.com
-
Post Event Report – biliabd.org
-
স্বাধীনতা সংগ্রামের অমূল্য দলিল – albd.org
-
বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি – ittefaq.com.bd
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (তৃতীয় খণ্ড) – bn.wikisource.org
-
জেনে নিন সাংবিধানিক ক্রমবিকাশ – lawyersclubbangladesh.com
Was it helpfull? Rate this article:

(18 votes, average: 4.72 out of 5)