
📜 কখন বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি হয়: ঐতিহাসিক ও সাংবিধানিক বিশ্লেষণ
স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়ার প্রথম আনুষ্ঠানিক ও আইনি পদক্ষেপ হলো ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ, ১৯৭২’ জারি করা। এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু নির্ভুল উত্তর হলো: ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ (কোনো কোনো সূত্রে ২২ মার্চ) তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ, ১৯৭২’ (President’s Order No. 22 of 1972) জারি করেন, যা ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে ঘোষিত হয়। এই আদেশের মাধ্যমেই ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয় এবং সংবিধান প্রণয়নের আইনি পথ সুপ্রশস্ত হয়। এই নিবন্ধে আমরা সেই ঐতিহাসিক আদেশের পটভূমি, বিধান, গণপরিষদ গঠন, প্রথম অধিবেশন, সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট সাধারণ জিজ্ঞাসাগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করব।
🏛️ ঐতিহাসিক পটভূমি: স্বাধীনতার পর সাংবিধানিক শূন্যতা ও আদেশের প্রয়োজনীয়তা
⚖️ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও অস্থায়ী সংবিধান
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আইনি ভিত্তি স্থাপিত হয়। তবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে গণপরিষদের সদস্যপদের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, অপসারণ এবং কার্যপ্রণালি সম্পর্কিত কোনো বিধান ছিল না। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ, ১৯৭২’ জারি করেন, যা সংসদীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মোচন করে। কিন্তু একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি বৈধ ও কার্যকর গণপরিষদ গঠনের আইনি কাঠামো তখনও অনুপস্থিত ছিল। এই শূন্যতা পূরণের জন্যই ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ, ১৯৭২’ জারি করা হয়।
🗳️ ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ম্যান্ডেট
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। এই নির্বাচনের রায়কে ভিত্তি করেই গণপরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়, ১৯৭০ সালের ৭ ও ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পূর্বপাকিস্তান থেকে জাতীয় পরিষদের ১৬৯ জন এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্যকে নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হবে।
📅 গণপরিষদ আদেশ, ১৯৭২: জারি, কার্যকরতা ও মূল বিধানসমূহ
✍️ জারির তারিখ ও কার্যকরতার সময়
‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ, ১৯৭২’ (P.O. No. 22 of 1972) জারি করেন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী। তারিখটি অধিকাংশ নির্ভরযোগ্য সূত্রে ২৩ মার্চ ১৯৭২ হিসেবে উল্লেখিত হলেও, কিছু সূত্রে ২২ মার্চ ১৯৭২ বলা হয়েছে। আদেশটি জারির সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় এবং ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে গণ্য করা হয়। অর্থাৎ, আইনি দিক থেকে স্বাধীনতার ঘোষণার দিন থেকেই এই আদেশের বৈধতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
🏛️ গণপরিষদের গঠন ও সদস্যপদ
আদেশের বিধান অনুযায়ী, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী ৪৬৯ জন (জাতীয় পরিষদে ১৬৯ জন ও প্রাদেশিক পরিষদে ৩০০ জন) সদস্যের মধ্যে বিভিন্ন কারণে অযোগ্য ঘোষিতদের বাদ দেওয়ার পর গণপরিষদের সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৪০৩ জন। এই ৪০৩ জনের মধ্যে ৪০০ জন আওয়ামী লীগের, ১ জন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (মোজাফফর) এবং ২ জন নির্দলীয় ছিলেন। গণপরিষদে একটি স্পিকার ও একটি ডেপুটি স্পিকার পদ সৃষ্টি করা হয়, যারা সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
📜 সংবিধান প্রণয়নের একমাত্র দায়িত্ব
গণপরিষদ আদেশের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়: ‘গণপরিষদ প্রজাতন্ত্রের লাগিয়া একটি সংবিধান প্রণয়ন করিবে।’ এই আদেশের মাধ্যমে গণপরিষদকে কেবল সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়, আইন প্রণয়নের কোনো ক্ষমতা অর্পণ করা হয়নি।
🚫 দলত্যাগ বিরোধী বিধান
একই দিনে ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ সদস্য (সদস্যপদ বিলোপ) আদেশ, ১৯৭২’ (P.O. No. 23 of 1972) জারি করা হয়, যা দলত্যাগ নিষিদ্ধ করে। এই আদেশ অনুযায়ী, কোনো সদস্য যদি যে দলের টিকিটে নির্বাচিত হয়েছিলেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করেন বা বহিষ্কৃত হন, তবে তিনি তার সদস্যপদ হারাবেন।
🏛️ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ও সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়া
📅 প্রথম অধিবেশন: ১০ এপ্রিল ১৯৭২
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল। এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ। প্রথম অধিবেশনেই শাহ আব্দুল হামিদ স্পিকার এবং মোহাম্মদুল্লাহ ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
📝 খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি
প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে (১১ এপ্রিল ১৯৭২) ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট ‘খসড়া সংবিধান-প্রণয়ন কমিটি’ গঠিত হয়, যার সভাপতি ছিলেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এই কমিটি মোট ৪৭টি বৈঠকে ৩০০ ঘণ্টা ব্যয় করে খসড়া সংবিধান চূড়ান্ত করে।
✅ সংবিধান গৃহীত ও কার্যকর
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান’ বিল সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা হাতে লিখিত সংবিধানের মূল কপিতে স্বাক্ষর করেন এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) থেকে এটি কার্যকর হয়। মাত্র ১১ মাসের মধ্যে সংবিধান প্রণয়ন সম্ভব হয়েছিল।
⚖️ গণপরিষদ আদেশের সাংবিধানিক ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য
📖 সংবিধান প্রণয়নের আইনি ভিত্তি
এই আদেশই বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম আনুষ্ঠানিক ও আইনি পদক্ষেপ। এটি ছাড়া গণপরিষদের বৈধতা ও কার্যক্রম আইনি স্বীকৃতি পেত না।
🏛️ অন্তর্বর্তী সংসদ হিসেবে গণপরিষদ
গণপরিষদ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অস্থায়ী সংসদ হিসেবে কাজ করে। সংবিধান প্রণয়নের পাশাপাশি এটি গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখে।
📜 সংবিধানে সন্নিবেশ
গণপরিষদ আদেশটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সম্পৃক্ত আইন হিসেবে স্বীকৃতি পায় এবং সংবিধানের বিভিন্ন তফসিলে এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
❓ Top 25 Most Searched Questions & Answers (বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ)
-
প্রশ্ন: বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ কখন জারি হয়?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ (কিছু সূত্রে ২২ মার্চ)। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশ কে জারি করেন?
উত্তর: তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশের দাপ্তরিক নাম কী?
উত্তর: ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ, ১৯৭২’ (Constituent Assembly of Bangladesh Order, 1972; P.O. No. 22 of 1972)। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশ কবে থেকে কার্যকর হয়?
উত্তর: ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে ঘোষিত হয়। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশ জারির উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে বৈধ গণপরিষদ গঠন করা। -
প্রশ্ন: গণপরিষদে কতজন সদস্য ছিলেন?
উত্তর: প্রাথমিকভাবে ৪৬৯ জন নির্বাচিত সদস্যের মধ্যে অযোগ্য ঘোষিতদের বাদ দেওয়ার পর ৪০৩ জন। -
প্রশ্ন: গণপরিষদে কোন দলের আধিপত্য ছিল?
উত্তর: আওয়ামী লীগের (৪০৩ জনের মধ্যে ৪০০ জন)। -
প্রশ্ন: গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে বসে?
উত্তর: ১০ এপ্রিল ১৯৭২। -
প্রশ্ন: প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
উত্তর: মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ। -
প্রশ্ন: গণপরিষদের প্রথম স্পিকার কে ছিলেন?
উত্তর: শাহ আব্দুল হামিদ। -
প্রশ্ন: খসড়া সংবিধান কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: ড. কামাল হোসেন। -
প্রশ্ন: খসড়া সংবিধান কমিটিতে কতজন সদস্য ছিলেন?
উত্তর: ৩৪ জন। -
প্রশ্ন: সংবিধান কবে গৃহীত হয়?
উত্তর: ৪ নভেম্বর ১৯৭২। -
প্রশ্ন: সংবিধান কবে থেকে কার্যকর হয়?
উত্তর: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: ‘গণপরিষদ প্রজাতন্ত্রের লাগিয়া একটি সংবিধান প্রণয়ন করিবে।’ -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশের মাধ্যমে কি আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল?
উত্তর: না, কেবল সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। -
প্রশ্ন: দলত্যাগ বিরোধী আদেশ কোনটি?
উত্তর: ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ সদস্য (সদস্যপদ বিলোপ) আদেশ, ১৯৭২’ (P.O. No. 23 of 1972)। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশের মাধ্যমে কতজন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়?
উত্তর: দুর্নীতির অভিযোগে ১৯৭২ সালের ৬ এপ্রিল ১৬ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ কত সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল?
উত্তর: ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত (সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর জাতীয় সংসদ গঠিত হলে এটি বিলুপ্ত হয়)। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশের আগে কোন আদেশ জারি হয়েছিল?
উত্তর: ‘বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ, ১৯৭২’ (১১ জানুয়ারি ১৯৭২)। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশের মূল ভিত্তি কী ছিল?
উত্তর: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশের মাধ্যমে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়?
উত্তর: সংসদীয় গণতন্ত্র। -
প্রশ্ন: গণপরিষদের সদস্যদের বেতন-ভাতা কেমন ছিল?
উত্তর: 월 ৫০০ টাকা বেতন, প্রথম শ্রেণির ভ্রমণ সুবিধা, দৈনিক ৪০ টাকা ভাতা এবং ১০ টাকা যাতায়াত ভাতা। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশ কি এখনও আইনি স্বীকৃত?
উত্তর: হ্যাঁ, এটি বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি ঐতিহাসিক আইনি দলিল হিসেবে স্বীকৃত। -
প্রশ্ন: গণপরিষদ আদেশ জারির ফলে কী ঘটে?
উত্তর: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ গঠিত হয় এবং সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
✅ Key Takeaways (মূল শিক্ষণীয় বিষয়)
-
📅 ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ, ১৯৭২’ জারি হয় ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ (কিছু সূত্রে ২২ মার্চ)।
-
✍️ আদেশটি জারি করেন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী।
-
⏳ আদেশটি ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে ঘোষিত হয়।
-
🏛️ এই আদেশের মাধ্যমে ৪০৩ জন সদস্যবিশিষ্ট গণপরিষদ গঠিত হয়।
-
📜 গণপরিষদের একমাত্র দায়িত্ব ছিল সংবিধান প্রণয়ন; আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।
-
📅 গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল ১৯৭২; খসড়া কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
-
✅ সংবিধান গৃহীত হয় ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এবং কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
-
🚫 একই দিনে দলত্যাগ বিরোধী আদেশ (P.O. No. 23 of 1972) জারি করা হয়।
🏁 Conclusions (উপসংহার)
“বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ কখন জারি হয়” —এই প্রশ্নের উত্তর কেবল একটি তারিখ নয়; এটি স্বাধীন বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রার সূচনা এবং একটি জাতির আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ জারিকৃত এই আদেশের মাধ্যমেই বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এবং মাত্র ১১ মাসের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান প্রণীত হয়। গণপরিষদ আদেশ প্রমাণ করে যে একটি জাতির রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে তোলার জন্য কেবল রাজনৈতিক ঘোষণা নয়, বরং সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন। এই আদেশের ঐতিহাসিক তাৎপর্য আজও বাংলাদেশের সংবিধান ও সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে বিরাজমান।
📚 References (তথ্যসূত্র)
-
‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান’ -এর ইতিবৃত্ত – lawyersclubbangladesh.com
-
জেনে নিন সাংবিধানিক ক্রমবিকাশ – lawyersclubbangladesh.com
-
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি – teachers.gov.bd
-
বাংলাদেশ গণপরিষদ – উইকিপিডিয়া (বাংলা)
-
১১ জানুয়ারি, ১৯৭২: অস্থায়ী শাসনতন্ত্র আদেশ জারি – banglatribune.com
-
Constituent assembly order promulgated – The Daily Star
-
The Bangladesh Constituent Assembly Members (Cessation of Membership) Order, 1972 – bdlaws.minlaw.gov.bd
-
Constitution – Banglapedia
-
Constitution-Making in Bangladesh – constitutionnet.org
-
The Constituent Assembly of Bangladesh Order, 1972 – reposit.library.du.ac.bd
-
20th Anniversary Supplement – archive.thedailystar.net
-
The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh – bdlaws.minlaw.gov.bd
-
Bangladesh Constitution Day today – en.banglanews24.com
-
স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু – albd.org
-
স্বাধীনতা দিবসে সংবিধানের কথা – prothomalo.com
-
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা :গণপরিষদ ও সংবিধান – ittefaq.com.bd
-
সংবিধান রচিত হবে চার স্তম্ভের ওপর – banglatribune.com
-
শাসনতন্ত্র প্রণয়নে ১০ এপ্রিল গণপরিষদের অধিবেশন – banglatribune.com
-
বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় সংবিধান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে প্রত্যাশা – ittefaq.com.bd
-
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান’ গৃহীত – bangabhaban.gov.bd
-
আমাদের সংবিধান দিবস আজ – lawyersclubbangladesh.com
-
বাংলাদেশের সংবিধান: বাঙালির মুক্তি-সংগ্রাম ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার রূপরেখা – albd.org
-
Constituent Assembly of Bangladesh – Wikipedia (English)
-
প্রথম গণ পরিষদ – repository.library.du.ac.bd
-
গণপরিষদ, প্রোক্লামেশন ও সেকেন্ড রিপাবলিক – dailyinqilab.com
-
৫৩ বছর পর আলোচনায় সরব গণপরিষদ নির্বাচন – mzamin.news
-
বাংলাদেশে ‘গণপরিষদ আদেশ’ নামে একটি আদেশ জারি করা হয় – myexaminer.net
-
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয়েছিল কেন? – sattacademy.com
-
গণপরিষদ আদেশ কখন থেকে কার্যকর করা হয়? – bissoy.com
-
The Bangladesh Constituent Assembly Members (Cessation of Membership) Order, 1972 – bdlaws.minlaw.gov.bd
-
Implementing July charter: Commission readies multiple options – thedailystar.net
-
According to the Proclamation, the elected representatives – shodhganga.inflibnet.ac.in
-
সংসদীয় বিতর্ক-১: জাতীয়তাবাদ ও ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে গণপরিষদে তোলপাড় – bangla.bdnews24.com
-
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রেক্ষাপট, ভীতি ও বাস্তবতা – bangla.thedailystar.net
-
গোলটেবিল বৈঠক: সংসদ সদস্যদের আচরণবিধি আইনের প্রয়োজনীয়তা – ti-bangladesh.org
-
Constituent Assembly Order (cessation of membership) – constitutionnet.org
-
Family members of 1972 constitution writers protest Jamaat Ameer’s statement – observerbd.com
-
Meherpur in Kustia District – reposit.library.du.ac.bd
-
leaders i – reposit.library.du.ac.bd
-
‘All shades of opinion will be considered’ – The Daily Star
-
Bangabandhu presented constitution within 7-month: lawmakers – bssnews.net
-
50 Years of Bangladesh Constitution In a nutshell – thedailystar.net
-
সংসদের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিশেষ অধিবেশন বসছে ৬ এপ্রিল – prothomalo.com
-
উদযাপন হবে জাতীয় সংসদের ৫০ বছরপূর্তি – teachers.gov.bd
-
♦ এসো বাংলাদেশকে জানি; মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানি♦ – teachers.gov.bd
-
বাংলােদেশর সংবিধান ১৯৭২ – crc.legislativediv.gov.bd
-
(গ) ১৯৭২ সালের বাংলােদশ হাইকে-রট আদেশ – icnl.org
-
The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh (আইন হিসেবে স্বীকৃতি) – bdlaws.minlaw.gov.bd
-
Bangladesh: A Country Study – pressinform.portal.gov.bd
-
আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর দর্শন – teachers.gov.bd
Was it helpfull? Rate this article:

(7 votes, average: 4.86 out of 5)