
📜 কখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ঘোষণার ধারা ও সাংবিধানিক তাৎপর্যের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার প্রশ্নে একটি নির্দুল উত্তর হলো—১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে (২৫ মার্চ মধ্যরাতের পর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তবে এই ঘোষণার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১০ এপ্রিল ১৯৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১-এর মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই নিবন্ধে আমরা স্বাধীনতা ঘোষণার ঐতিহাসিক পটভূমি, ঘোষণার বিভিন্ন ধাপ, আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি এবং সংশ্লিষ্ট সাধারণ জিজ্ঞাসাগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করব।
🏛️ ঐতিহাসিক পটভূমি: ১৯৭১ সালের মার্চের উত্তাল দিনগুলো
⚔️ ২৫ মার্চের কালরাত ও অপারেশন সার্চলাইট
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পূর্ব পাকিস্তানে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অতর্কিত হামলা ও গণহত্যা শুরু করে。এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনকে রক্তে ভাসিয়ে দেওয়া। কিন্তু এই নৃশংসতা বাঙালির মুক্তির সংগ্রামকে আরও দৃঢ় ও চূড়ান্ত রূপ দেয়।
🗣️ ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ: স্বাধীনতার বীজমন্ত্র
২৫ মার্চের হামলার আগেই ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন—‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’ এই ভাষণটি পরবর্তীতে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্রে রূপ নেয় এবং ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এটিকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
📅 ২৬ মার্চ ১৯৭১: স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা
🕛 প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতের পর অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি এই ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণা তৎকালীন ইপিআর-এর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র’ (তৃতীয় খণ্ড)-এ বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণার মূল পাঠ লিপিবদ্ধ রয়েছে।
📢 ঘোষণার মূল বক্তব্য
বঙ্গবন্ধুর ঘোষণার মূল কথা ছিল—‘ইহাই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছেন, যার যাহা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করো। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।’ এই ঘোষণার মাধ্যমেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
📻 এম এ হান্নান ও মেজর জিয়ার ঘোষণা পাঠ
বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা প্রথমে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এম এ হান্নান পাঠ করেন। পরে ২৭ মার্চ আওয়ামী লীগ নেতাদের অনুরোধে মেজর জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। প্রথমে তিনি নিজের নামে ঘোষণা পাঠ করেন, পরে বঙ্গবন্ধুর নামে পাঠ করেন। তবে ঐতিহাসিকদের মতে, মেজর জিয়া ছিলেন কেবল ঘোষণার ‘পাঠক’, ‘ঘোষক’ নন।
📜 ১০ এপ্রিল ১৯৭১: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আনুষ্ঠানিক জারি
🏛️ মুজিবনগর সরকার গঠন
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার মুক্তাঞ্চলে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা মিলিত হন। এই অধিবেশনে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রণীত ও জারি করা হয়। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।
✍️ ঘোষণাপত্র পাঠ
১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী। পরে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও এই ঘোষণাপত্র পঠিত হয়। এই ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে গণ্য করা হয়।
⚖️ ঘোষণাপত্রের আইনি গুরুত্ব
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান এবং স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রক্রিয়ায় একটি আইনি দলিল। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমেই বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঘোষণাপত্রটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিল এবং ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
🏛️ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১: মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ
🎖️ ঐতিহাসিক শপথ অনুষ্ঠান
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং অন্য মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী। এই দিনটিকে ‘মুজিবনগর দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
⚖️ স্বাধীনতা ঘোষণার সাংবিধানিক ও আইনি তাৎপর্য
📖 সংবিধানে অন্তর্ভুক্তি
বঙ্গবন্ধুর ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র—উভয়ই বাংলাদেশের সংবিধানে সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সংবিধানের preamble-এ ৭ মার্চের ভাষণ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করা হয়েছে।
🏛️ রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতি প্রবর্তিত হয় এবং রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়কের মর্যাদা দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয়।
❓ Top 25 Most Searched Questions & Answers (বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা)
-
প্রশ্ন: বাংলাদেশের স্বাধীনতা কখন ঘোষণা করা হয়?
উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে (২৫ মার্চ মধ্যরাতের পর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতা ঘোষণা করেন কে?
উত্তর: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে কবে জারি করা হয়?
উত্তর: ১০ এপ্রিল ১৯৭১। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কে পাঠ করেন?
উত্তর: অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী (১০ এপ্রিল) এবং পরে ১৭ এপ্রিলের শপথ অনুষ্ঠানেও পঠিত হয়। -
প্রশ্ন: ২৬ মার্চের ঘোষণা ও ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্রের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: ২৬ মার্চের ঘোষণা ছিল রাজনৈতিক; ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্র ছিল আইনি ও সাংবিধানিক, যা সরকার গঠন করে। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় কবে?
উত্তর: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে থেকে কার্যকর হয়?
উত্তর: ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে। -
প্রশ্ন: মেজর জিয়াউর রহমান কি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
উত্তর: না, তিনি ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন; তিনি ‘ঘোষক’ নন, ‘পাঠক’। -
প্রশ্ন: ৭ মার্চের ভাষণে কী ঘোষণা করা হয়?
উত্তর: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’ -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রণয়ন করেন কে?
উত্তর: অধ্যাপক রেহমান সোবহান ও আরও কয়েকজনের সহায়তায়; তাজউদ্দীন আহমদ একটি খসড়া তৈরি করেছিলেন। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। -
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর: তাজউদ্দীন আহমদ। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আইনি গুরুত্ব কী?
উত্তর: এটি বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের আইনি ভিত্তি। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কোন তারিখ থেকে কার্যকর?
উত্তর: ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে। -
প্রশ্ন: ২৬ মার্চ কী দিবস হিসেবে পালিত হয়?
উত্তর: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। -
প্রশ্ন: ১৭ এপ্রিল কী দিবস হিসেবে পালিত হয়?
উত্তর: মুজিবনগর দিবস। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূল পাঠ কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র’ (তৃতীয় খণ্ড)-এ এবং সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে। -
প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধুকে কখন রাষ্ট্রপতি ও সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয়?
উত্তর: ১০ এপ্রিল ১৯৭১, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে কী বলা হয়েছিল?
উত্তর: বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্ররূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করেন এবং বঙ্গবন্ধুর ২৬ মার্চের ঘোষণাকে অনুমোদন করেন। -
প্রশ্ন: ৭ মার্চের ভাষণকে কী স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
উত্তর: ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এটিকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতা ঘোষণার সময় বঙ্গবন্ধু কোথায় ছিলেন?
উত্তর: ঢাকায়; তিনি গ্রেফতার হওয়ার আগে ঘোষণা দেন। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণা প্রথম কোথা থেকে প্রচারিত হয়?
উত্তর: চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে। -
প্রশ্ন: ১০ এপ্রিল ১৯৭১-এ কোন সরকার গঠিত হয়?
উত্তর: মুজিবনগর সরকার (বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার)। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ইংরেজি নাম কী?
উত্তর: Proclamation of Independence। -
প্রশ্ন: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা।
✅ Key Takeaways (মূল শিক্ষণীয় বিষয়)
-
🗓️ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে।
-
🗣️ ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে।
-
📜 ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি হয়, যা ছিল প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান।
-
✍️ ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী。
-
🏛️ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
-
📻 মেজর জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন; তিনি ‘ঘোষক’ নন, ‘পাঠক’।
-
📖 ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার বীজমন্ত্র হিসেবে কাজ করে এবং ইউনেস্কো স্বীকৃত ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’।
-
⚖️ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত।
🏁 Conclusions (উপসংহার)
“বাংলাদেশের স্বাধীনতা কখন ঘোষণা করা হয়” —এই প্রশ্নের উত্তর কেবল একটি তারিখ নয়; এটি একটি জাতির জন্মের রাজনৈতিক ঘোষণা, আইনি ভিত্তি এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতির সমন্বিত ইতিহাস। ২৬ মার্চ ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ঘোষণা বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ করে, ১০ এপ্রিল ১৯৭১-এ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আইনি কাঠামো ও সরকার গঠন করে, এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১-এ মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ আন্তর্জাতিকভাবে একটি বৈধ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এই তিনটি ধাপের সমন্বয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করে। ইতিহাস的这些 ঘটনা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা কেবল একটি ঘোষণার বিষয় নয়; এর জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, আইনি বৈধতা এবং জাতীয় ঐক্যের দৃঢ় ভিত্তি।
📚 References (তথ্যসূত্র)
-
স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী – pressinform.portal.gov.bd
-
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা – bssnews.net
-
সেই উদ্দেশে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল – dfp.gov.bd
-
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণা – BBC News বাংলা
-
মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: ১৯৭১ – teachers.gov.bd
-
বাঙালির অর্জন ও বাংলাদেশের সকল উন্নয়নের মূলেই রয়েছে আওয়ামী লীগ – bssnews.net
-
আগামীকাল ৫২তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস – bssnews.net
-
বঙ্গভবনের পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – teachers.gov.bd
-
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস – teachers.gov.bd
-
বাঙালির গৌরবদীপ্ত স্বাধীনতার দিন আজ – banglatribune.com
-
স্বাধীনতার ৫৩ বছর – bhorerkagoj.com
-
বাঙালীর গৌরব আর অহঙ্কারের দিন আজ – albd.org
-
১০ এপ্রিল ১৯৭১: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র – albd.org
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র: বাংলাদেশের জন্ম সনদ – albd.org
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র – ১৯৭১.prothomalo.com
-
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে কিছু সাধারণ জ্ঞান (৩) – teachers.gov.bd
-
স্বাধীনতা দিবস নিয়ে চাকরির পরীক্ষায় যেসব প্রশ্ন আসে – prothomalo.com
-
স্বাধীনতার ঘোষণা MCQ Question Bank – sattacademy.com
-
Independence of Bangladesh – en.wikipedia.org
-
ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা – teachers.gov.bd
-
মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ – teachers.gov.bd
-
বঙ্গবন্ধুর পক্ষে জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ – ১৯৭১.prothomalo.com
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (তৃতীয় খণ্ড) – bn.wikisource.org
-
৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ – bssnews.net
-
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ – jugantor.com
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য – bn.banglapedia.org
-
আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি (স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস) – teachers.gov.bd
-
‘তখন রাত ২টা বেজে ১৫ মিনিট; ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ সাল’ – bssnews.net
-
২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস – teachers.gov.bd
-
আজ ২৬ মার্চ: স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী – teachers.gov.bd
-
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা: গণপরিষদ ও সংবিধান – bangla.bdnews24.com
-
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মূর্তকরণ – dfp.gov.bd
-
বাংলাদেশ: A Country Study – pressinform.portal.gov.bd
-
১০ এপ্রিল ১৯৭১: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র – albd.org
-
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ – dfp.gov.bd
-
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ৫৩তম বার্ষিকী – pressinform.portal.gov.bd
-
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ – banglatribune.com
-
আ’লীগ নেতাদের অনুরোধে মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ – samakal.com
-
‘২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেছিলেন এম এ হান্নান’ – swadeshpratidin.com
-
জিয়া যেভাবে বদলেছিলেন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র – bangla.bdnews24.com
Was it helpfull? Rate this article:

(6 votes, average: 4.67 out of 5)