বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বলা হয় কাকে ?

🗳️ বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা কাকে বলা হয়?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা” বা “প্রবর্তক” হিসেবে সবচেয়ে বেশি যার নাম উচ্চারিত হয়, তিনি হলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)। ১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭৬-১৯৭৭ সালে তিনিই রাজনৈতিক দল গঠনের অনুমতি দিয়ে দেশে বহুদলীয় রাজনীতি পুনরুজ্জীবিত করেন এবং ১৯৭৯ সালে সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেন। তবে এই বিষয়ে ভিন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও রয়েছে—অনেকে মনে করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনাই বহুদলীয় গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি, এবং ১৯৭১-১৯৭৫ সময়কালেও বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। এই লেখায় এই বিতর্কের পটভূমি, জিয়াউর রহমানের ভূমিকা, সমালোচনা এবং সংশ্লিষ্ট সর্বাধিক জিজ্ঞাসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া হয়েছে।


📜 ঐতিহাসিক পটভূমি: বাকশাল ও একদলীয় শাসনের সূচনা

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু ছিল। তবে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনের মাধ্যমে তৎকালীন সরকার বাকশাল (বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ) নামে একটি একদলীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করে এবং সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে। এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার চালু হয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্র বিলুপ্ত করা হয়। বাকশাল ব্যবস্থার ফলে দেশে রাজনৈতিক বহুত্ব বিলুপ্ত হয় এবং একদলীয় শাসন কায়েম হয়, যা অনেকের মতে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতার জন্য বড় ধাক্কা ছিল।


🏛️ জিয়াউর রহমান: বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার নেতৃত্ব

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন এবং বাকশাল ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নেন। ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিনি ১৯৭৬ সালে “রাজনৈতিক দল বিধি, ১৯৭৬” জারি করেন, যার মাধ্যমে নিষিদ্ধ সব রাজনৈতিক দল—আওয়ামী লীগসহ—পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সুযোগ পায়। এরপর ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সংসদীয় নির্বাচনে ২৯টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে এবং বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন জিতে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে সামরিক শাসন (মার্শাল ল) প্রত্যাহার করা হয় এবং দেশ “গণতন্ত্রের পথে” অগ্রসর হয় বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এই ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণেই বিএনপি এবং সমমনোভাবাপন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশ্লেষকরা জিয়াউর রহমানকে “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক” বা “প্রবক্তা” হিসেবে অভিহিত করে থাকেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর একাধিক প্রতিবেদনে তাকে “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


⚖️ সমালোচনা ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি

জিয়াউর রহমানের এই ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। সমালোচকরা মনে করেন, তিনি নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ প্রতিষ্ঠার জন্যই বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতা করা দলগুলোকে (যেমন জামায়াতে ইসলামী) পুনর্বাসন দেন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক মহল থেকে দাবি করা হয়, জিয়াউর রহমানের গণতন্ত্র ছিল “কারফিউ গণতন্ত্র” এবং তার নির্বাচনগুলোতে কারচুপি হয়েছে। অন্যদিকে রক্ষণশীল ও বামপন্থী কিছু মহল মনে করে, ১৯৭১-১৯৭৫ সময়কালেও বাংলাদেশে বহুদলীয় ব্যবস্থা ছিল এবং জিয়াউর রহমানের আগেই স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।


❓ বহুদলীয় গণতন্ত্র নিয়ে সর্বাধিক জিজ্ঞাসিত ১০টি প্রশ্ন ও উত্তর

১. ❓ বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা কে?

উত্তর: সবচেয়ে প্রচলিত ও বহুল স্বীকৃত উত্তর হলো—শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)। ১৯৭৬ সালে তিনি রাজনৈতিক দল গঠনের অনুমতি দিয়ে বাকশালের একদলীয় ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন এবং ১৯৭৯ সালে বহুদলীয় সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেন。

২. ❓ বাকশাল কী এবং কেন এটি বিতর্কিত?

উত্তর: বাকশাল হলো ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত একদলীয় শাসন ব্যবস্থা, যা সংসদীয় গণতন্ত্র বিলুপ্ত করে এবং সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে। এটি বিতর্কিত কারণ এটি গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা খর্ব করেছিল বলে সমালোচনা রয়েছে।

৩. ❓ জিয়াউর রহমান কীভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন?

উত্তর: ১৯৭৬ সালে “রাজনৈতিক দল বিধি, ১৯৭৬” জারির মাধ্যমে তিনি নিষিদ্ধ দলগুলোর পুনরুজ্জীবনের সুযোগ দেন। এরপর ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৭৯ সালে ২৯টি দল অংশগ্রহণকারী সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেন।

৪. ❓ ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে কোন দল জয়ী হয়?

উত্তর: ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারির সংসদীয় নির্বাচনে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন জিতে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।

৫. ❓ জিয়াউর রহমানকে কারা “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা” বলে অভিহিত করেন?

উত্তর: বিএনপি এবং তার সমমনোভাবাপন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমর্থক ও কিছু বিশ্লেষক তাকে এই অভিধায় অভিহিত করেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর বিভিন্ন প্রতিবেদনেও তাকে এই মর্যাদায় উল্লেখ করা হয়েছে。

৬. ❓ এই বিষয়ে সমালোচনা কী?

উত্তর: সমালোচকরা মনে করেন, জিয়াউর রহমান নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন এবং স্বাধীনতাবিরোধী দলগুলোকে পুনর্বাসন দেন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহল থেকে তার গণতন্ত্রকে “কারফিউ গণতন্ত্র” বলে অভিহিত করা হয়。

৭. ❓ শেখ মুজিবুর রহমান কি বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন?

উত্তর: ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে তার সরকার বহুদলীয় ব্যবস্থা চালু রাখলেও ১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একদলীয় শাসন চালু করেন। তাই এই প্রশ্নে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিভেদে ভিন্ন ভিন্ন উত্তর পাওয়া যায়।

৮. ❓ বাংলাদেশের সংবিধানে বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্বীকৃতি আছে কি?

উত্তর: হ্যাঁ, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চেতনা ছিল। তবে ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনীতে তা বিলুপ্ত হয় এবং পরবর্তীতে পঞ্চম সংশোধনের মাধ্যমে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

৯. ❓ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি কী ছিল?

উত্তর: তার দর্শনের মূল চারটি স্তম্ভ ছিল—আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, বহুদলীয় গণতন্ত্র, এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় হিসেবে সমাজতন্ত্র।

১০. ❓ “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা” হিসেবে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা কি আজও স্বীকৃত?

উত্তর: রাজনৈতিক বিতর্ক থাকলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাকে এই ভূমিকার জন্য ব্যাপকভাবে স্মরণ করা হয় এবং বিএনপি ও তার সমর্থকরা এই বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।


📌 মূল টেকঅওয়ে (Key Takeaways)

  • বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত নাম শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)।

  • ১৯৭৫ সালের বাকশাল ব্যবস্থা একদলীয় শাসন চালু করে বহুদলীয় গণতন্ত্র বিলুপ্ত করেছিল।

  • জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে রাজনৈতিক দল বিধি জারি করে দলগুলোর পুনরুজ্জীবন ঘটান এবং ১৯৭৯ সালে বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেন।

  • ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে বিএনপি ২০৭টি আসন জিতে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।

  • এই বিষয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক বিদ্যমান; সমালোচকরা তার উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

  • বাংলাদেশের সংবিধানে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চেতনা ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান থেকেই বিদ্যমান ছিল, যা ১৯৭৫ সালে বিলুপ্ত হয়ে পরে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।


✅ উপসংহার

“বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা কাকে বলা হয়?”—এই প্রশ্নের সবচেয়ে প্রচলিত উত্তর হলো শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭৫ সালের বাকশাল একদলীয় ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে ১৯৭৬ সালে রাজনৈতিক দল গঠনের অনুমতি প্রদান এবং ১৯৭৯ সালে বহুদলীয় সংসদীয় নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে তিনি দেশে বহুদলীয় রাজনীতির ধারা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন。 তবে এই ঐতিহাসিক মূল্যায়ন নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মতভেদ রয়েছে। ইতিহাসের এই অধ্যায়টি বুঝতে হলে বাকশালের প্রেক্ষাপট, জিয়াউর রহমানের সংস্কার এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা—সবকিছুকেই একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।


📚 তথ্যসূত্র (References)

  1. বাসস — “জিয়াউর রহমান ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার: শফিকুল আলম মনা” (১৮ জানুয়ারি ২০২৬)। https://www.bssnews.net/bangla/national/274471/print

  2. BSS — “‘Shaheed Zia proponent of multi-party democracy'” (18 January 2026)। https://www.bssnews.net/district/352298

  3. বাসস — “জ্ঞানভিত্তিক রাজনীতিই জাতির অগ্রগতির চাবিকাঠি: আইনমন্ত্রী” (২০২৬)। https://www.bssnews.net/bangla/law-and-courts/338232/print#2

  4. বিবিসি বাংলা — “রাজনীতিতে বিভক্তির সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান?” (২ জুন ২০১৬)। https://www.bbc.com/bengali/news/2016/06/160602_bnp_zia_analysis

  5. বিবিসি বাংলা — “বাকশাল: শেখ মুজিবুর রহমান যে কারণে বিতর্কিত এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন” (২৫ জানুয়ারি ২০২১)। https://www.bbc.com/bengali/news-52062148#1

  6. Bangladesh Pratidin — “BNP marks 48th founding anniversary” (1 September 2026)। https://en.bd-pratidin.com/national/2026/09/01/69114#1

  7. The New York Times — “Bangladesh Holding Elections to End Martial Law” (18 February 1979)। https://www.nytimes.com/1979/02/18/archives/bangladesh-holding-elections-to-end-martial-law-conditions-for.html#1

  8. BSS — “Zia established multi-party democracy: Dr Anwarullah” (17 January 2025)। https://www.bssnews.net/others/241538/print

  9. দৈনিক আমার দেশ — “জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসে” (২০ জুন ২০২৬)। https://www.dailyamardesh.com

  10. দৈনিক ইনকিলাব — “বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান: টুকু” (২০ জুন ২০২৬)। https://dailyinqilab.com

  11. যুগান্তর — “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: নবী উল্লাহ নবী” (৩ জুন ২০২৬)। https://www.jugantor.com

  12. দৈনিক সংগ্রাম — “জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক: ডাঃ ইরান”। https://dailysangram.com

  13. কালের কণ্ঠ — “বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা – শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী আজ” (৩০ মে ২০২৫)। https://www.kalerkantho.com

  14. আমাদের সময় — “দেশে গণতন্ত্র যতবার হোঁচট খেয়েছে উদ্ধার করেছে জিয়া পরিবার” (১ জুন ২০২৬)। https://www.agamirsomoy.com

  15. যুগান্তর — “জিয়ার হাতেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা”। https://dailynayadiganta.com

  16. BSS — “Ziaur Rahman introduced multi-party democracy: Ziauddin Hyder” (1 June 2026)। https://www.bssnews.net/others/307708

  17. BNP — “Message from BNP Acting Chairman Mr. Tarique Rahman on the Occasion of 47th Anniversary of BNP”। https://bnpbd.org

  18. ডেইলি স্টার — “বাকশাল বিতর্ক: স্বৈরাচার নাকি বৈপ্লবিক পরিবর্তন?” (৩ এপ্রিল ২০১৯)। https://www.bbc.com/bengali/news-47783321

  19. প্রথম আলো — “জিয়া ভোটের রাজনীতি ধ্বংস করেছেন: প্রধানমন্ত্রী” (১৮ মার্চ ২০১৯)। https://samakal.com

  20. এনটিভি — “‘জিয়াউর রহমানের গণতন্ত্র ছিল কারফিউ গণতন্ত্র'” (৪ জানুয়ারি ২০১৮)। https://www.ntvbd.com

Was it helpfull? Rate this article:
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (1 votes, average: 5.00 out of 5)

Loading...

Scroll to Top